এক মাসের ব্যবধানে ‘মব’ বেড়ে দ্বিগুণ

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। এখানে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।
প্রথম আলো
৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা
সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯টি আসনে বিএনপির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দলটির নেতারা স্বতন্ত্র বা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এর মধ্যে অন্তত ৪৬টি আসনে শক্ত অবস্থানে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা। তাঁদের কারণে ভোটের মাঠে বাড়তি চাপে পড়েছেন বিএনপির ধানের শীষ বা সমঝোতার প্রার্থীরা।
সমকাল
এক মাসের ব্যবধানে ‘মব’ বেড়ে দ্বিগুণ
জানুয়ারিতে মবসন্ত্রাস বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হন ১০ জন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মবসন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। জানুয়ারিতে ৬৪টি নির্বাচনী সহিংসতায় চারজনের মৃত্যু হয়; আহত হন ৫০৯ জন। আর ডিসেম্বরে সাতটি সহিংসতার ঘটনায় একজন নিহত ও ২৭ জন আহত হন।
প্রথম আলো
প্রথম নির্দলীয় সরকার কেমন নির্বাচন দিয়েছিল
নির্দলীয় সরকারব্যবস্থার অধীনে দেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। এটি ছিল পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে আর কোনো স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচন বা গণভোট নির্দলীয় সরকারব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত হয়নি। সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ছিলেন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তাঁকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি করা হয়েছিল। অনেকের মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু ছিল এই নির্বাচন, সরকার তথা প্রশাসন ছিল সবচেয়ে নিরপেক্ষ।
সমকাল
পাল্টা শুল্ক কমবে, মার্কিন তুলার পোশাকে মিলতে পারে সুবিধা
যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক দেশটির বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা (রেসিপ্রোকাল) শুল্কহার বিদ্যমান ২০ শতাংশ থেকে কমানোর সিদ্ধান্তও আসছে। এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে এ চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুবিধা পেতে বাংলাদেশকেও বেশকিছু ছাড় দিতে হচ্ছে।
প্রথম আলো
রাঙামাটি আসন: সংঘাত–সহিংসতা নয়, শান্তির আকুতি
দেশের সবচেয়ে বড় হ্রদ, সবুজ পাহাড় ও নদী—দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যে ভরপুর রাঙামাটি। তবে এর আড়ালে রয়েছে নানা সমস্যা–সংকট। শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে সমস্যা আর সমস্যা। রয়েছে কর্মসংস্থানের অভাব। এসব ছাপিয়ে পাহাড়ের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। কখনো আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর সংঘাত, কখনো স্থানীয় বাসিন্দাদের দুই পক্ষের হানাহানি–সংঘাতে অস্থির ও রক্তাক্ত হয়ে ওঠে সবুজ পাহাড়।
বণিক বার্তা
গণভোটের রায় যাই হোক সংসদেরই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকবে
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ২০১১ সালে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর আদালত সেই ধারাটি বাতিল ঘোষণা করে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনেন। তবে আদালতের রায়ে গণভোটের বিধানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কেননা জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ৬ ধারা অনুযায়ী কোনো আইনকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে তা সংসদে পাস করানোর প্রয়োজন হবে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের ‘গণভোট’ অধ্যায়ে এ বিষয়গুলো সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ‘গণভোটের বিধানটি আগামী সংসদে উপস্থাপন করে পাস করানোর সুপারিশ’ যুক্ত করা আছে।
কালের কণ্ঠ
ভোটের প্রচারণা তুঙ্গে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আর মাত্র ১১ দিন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারের সময় শেষ হবে তার দুই দিন আগেই। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার আগেই প্রচার শেষ করতে হবে।
সে হিসাবে প্রচারের সময় মাত্র আর ৯ দিন। সে কারণে বিরামহীন প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। একই সঙ্গে তাঁদের সামাল দিতে হচ্ছে নিজ ও প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা।
বণিক বার্তা
বিদ্যুৎ-জ্বালানির সংকট মোকাবেলায় সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই রাজনৈতিক দলগুলোর
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে জনগণকে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়েও বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতো বড় দলগুলো তুলে ধরছে প্রতিশ্রুতি। কিন্তু দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি এ জ্বালানি খাতের উন্নয়নে কীভাবে আর্থিক চাপ কমানো হবে, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম কমিয়ে নাগরিক সুবিধা তৈরি করা হবে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভরতা তৈরি করা হবে, সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা দেখা যাচ্ছে না।
সমকাল
জামায়াতের সহযোগিতা না পেয়ে নাখোশ শরিকরা
ভোটের মাঠে জামায়াতে ইসলামীর ‘পূর্ণ সমর্থন’ না পেয়ে নাখোশ ১১ দলের শরিকরা। এ দলগুলোর মধ্যে অভিযোগ, ছেড়ে দেওয়া চারটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা থেকে যাওয়ায় শরিকরা নির্বাচন থেকে প্রায় ছিটকে গেছেন। ‘আর্থিক সহযোগিতা’ না পাওয়ায় এনসিপির অধিকাংশ প্রার্থী ভোটের মাঠে হাবুডুবু খাচ্ছেন। আবার আসন ছাড়লেও প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের তুলনায় জামায়াত নেতাকর্মীরা না নামায় শরিকদের প্রার্থীরা প্রচারে পিছিয়ে রয়েছেন।
বণিক বার্তা
গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়া অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী পরিহাস
প্রস্তাবিত জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের খসড়া দেশে মুক্ত গণমাধ্যম বিকাশে জনপ্রত্যাশার প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী ‘পরিহাস’ বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গতকাল টিআইবি এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে।
টিআইবি বলেছে, বাংলাদেশে মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সম্প্রচার বিকাশে একটি অভিন্ন স্বাধীন ও কার্যকর গণমাধ্যম কমিশনের দাবি দীর্ঘদিনের। যার প্রতিফলন ছিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনেও। কিন্তু প্রতিবেদন হস্তান্তরের দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় ধরে এর সুপারিশ বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ নির্বিকার থাকা অন্তর্বর্তী সরকার তার মেয়াদের শেষ মুহূর্তে এসে কমিশনের নামে দুটি নতুন সরকারি সংস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের যে দুটি খসড়া প্রকাশ করেছে, তাতে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে টিআইবি।
প্রথম আলো
বিকাশ, রকেট ও নগদে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না, নির্দেশনা আসছে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) সীমিত করা হচ্ছে। এর ফলে বিকাশ, রকেট, নগদসহ মোবাইল ব্যাংকিং সেবার গ্রাহকেরা দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন। প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা।
দেশ রূপান্তর
আমদানির কলে বিকল কারখানা
দেশের ইউরিয়া সার কারখানাগুলোয় নিয়মিত উৎপাদন চালু থাকলে সারা বছরের চাহিদা মেটানো সম্ভব। অথচ গ্যাসসংকটের অজুহাতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি কারখানার চারটিই বছরের ৮ থেকে ১০ মাস বন্ধ রাখা হচ্ছে; আর এই অবস্থা চলছে বছরের পর বছর। ফলে চাহিদার দুই-তৃতীয়াংশ পূরণ করতে হচ্ছে আমদানির মাধ্যমে। এতে শুধু ইউরিয়ার পেছনে বছরে তিন হাজার কোটি টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে সরকারের। অন্যদিকে বন্ধ থাকার কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা কমছে। শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
যুগান্তর
স্বেচ্ছাচারিতার বেড়াজালে ভালো গ্রাহকও খেলাপি!
ঋণ সমন্বয় রীতিনীতির কোনো তোয়াক্কা করছে না সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল)। এমনকি আমানত সমন্বয় করে ঋণ পরিশোধ করতে চান-এমন স্বনামধন্য গ্রাহকও হচ্ছেন চরম হয়রানির শিকার। যেখানে ঋণ পরিশোধ হওয়ার পর ‘থ্যাংকস লেটার’ পাওয়ার কথা, সেখানে উলটো সমন্বয় না করে খেলাপি করা হয়েছে। এ ধরনের অনেক ঘটনায় ব্যাংকটিতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক গ্রাহক অসন্তোষ। বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা পড়েছে ভুক্তভোগীদের বেশকিছু অভিযোগও।
দেশ রূপান্তর
বরাদ্দ না বাড়লে বাড়বে মৃত্যুঝুঁকি
বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব মহামারীর রূপ নিয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রায়ই লক্ষণহীন থাকায় ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত। দেশের অধিকাংশ আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত রয়ে যাচ্ছে, যা হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি রোগ এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় বাধা হলো বাজেটে অপর্যাপ্ত বরাদ্দ এবং তার ফলে বিনামূল্যের ওষুধের অনিয়মিত সরবরাহ। তারা বলছেন, বিনামূল্যের ওষুধ না পেলে অনেক রোগী ওষুধ কিনে খান না বা অনিয়মিতভাবে খান, যা পরিণামে মারাত্মক জটিলতা ডেকে আনে।
কালবেলা
রাষ্ট্রীয় অর্থে ফাইভ স্টার বিলাস
কেরানীগঞ্জের মুগারচরে ৪৫ দশমিক ৮৮ একর জমিতে নতুন বিসিএস প্রশাসন একাডেমি নির্মাণ করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। চলতি বছর শুরু হয়ে ২০২৯ সালে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। তবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবের (ডিপিপি) তথ্য অনুযায়ী, একাডেমি হবে ফাইভ স্টার মানের বিলাসি কমপ্লেক্স। এতে থাকবে নারী-পুরুষের জন্য বিপুল ব্যয়ে নির্মিত পৃথক সুইমিংপুল; ভবনে থাকবে ৪৫টি লিফট, মসজিদেও থাকবে চলন্ত সিঁড়ি। আরও থাকবে জিমনেসিয়াম, ইনডোর গেমস ও ফিটনেস কেন্দ্র, ভিআইপি রেস্ট হাউস, রেক্টরের বাংলো, রিসোর্ট স্টাইলের ডাইনিং ও বিলাসবহুল আসবাব। এ ছাড়া প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ২ হাজার ৫৫৫টি এয়ারকুলার, ১৪টি গাড়ি, পার্ক, ফাউন্টেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নদী রক্ষা ও জলযান। প্রশাসন একাডেমিতে একসঙ্গে ৫০০ জন প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে পুরো অর্থ দেবে সরকার।
বিবিসি বাংলা
সোনা কেনার সময় ক্যারেট, হলমার্কসহ যেসব বিষয়ে জানা জরুরি
সম্পদ ও আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে হাজার বছর ধরে টিকে আছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ। বিয়ে হোক কিংবা বিনিয়োগ, মানুষের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এটি। তবে আধুনিক যুগে স্বর্ণ কেনার সময় 'ক্যারেট', 'হলমার্ক' বা 'খাদ'- এই শব্দগুলো বেশ ভাবায় সবাইকে।
স্বর্ণের বিশুদ্ধতা মাপার আন্তর্জাতিক একক হলো ক্যারেট। বিশুদ্ধতার মাত্রা অনুযায়ী ২৪, ২২, ২১ এবং ১৮ ক্যারেটে স্বর্ণকে ভাগ করা হয়।
