বিজ্ঞাপন

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশন যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই

অ+
অ-
বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশন যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন আয়োজিত রাউন্ডটেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা-শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়।

প্রশাসক ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করার একটি কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতার জন্য নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ৫০-৫০ অংশীদারিত্বের মডেল প্রস্তাব করেন। 

তিনি বলেন, যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন নিশ্চিত করেন তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি কর্পোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে ডিএসসিসি এরইমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে, বর্জ্যকে যেমন সম্পদে রূপান্তর সম্ভব হবে, তেমনি বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি ইএসডিওর মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজনের আহ্বান জানান। 

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি-র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

এএসএস/জেডএস

বিজ্ঞাপন