বিজ্ঞাপন
সবশেষ বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেলার সময় কনুইয়ে চোট পান তাওহীদ হৃদয়। সেই ইনজুরি থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস্তান সিরিজে খেলেন এই ব্যাটার। কিন্তু সেই সিরিজেও আবার আগের জায়গায় চোট লাগে হৃদয়ের। এরপর থেকেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।
জানা গেছে, চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে এক বছর সময় লাগবে তার। বিসিবির মেডিকেল টিমের এক প্রতিনিধি ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বলেন, ‘হৃদয় কনুইয়ের ইনজুরিতে ভুগছে। সাধারণত এই ধরনের সমস্যা ব্যাটসম্যানদের টপ হ্যান্ডে হয়। এটি মূলত একই ধরনের নড়াচড়া বারবার করার কারণে হয়ে থাকে।’
‘বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ থেকেই তার এই কনুইয়ের সমস্যা কিছুটা ছিল। তবে আমরা সেটি নিয়ন্ত্রণ করেছি এবং সে খেলা চালিয়ে গেছে। পরে পাকিস্তান সিরিজে সম্ভবত একটি ইয়র্কার বল ব্যাটের নিচে লাগে, যার ফলে তার কনুইতে তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং সমস্যা বাড়তে থাকে। যখন এটি আরও খারাপ হয়, তখন তার জন্য ব্যাট ধরা পর্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।’
বিজ্ঞাপন
বিসিবির মেডিকেল টিমের সেই সদস্য যোগ করেন, ‘এখানে মূল নিয়ম হলো- যে ধরনের বারবার করা মুভমেন্টের কারণে ব্যথা হচ্ছে, সেটি বন্ধ রাখতে হবে। আমরা সেটি বন্ধ করেছি এবং বাকি সব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসা দিচ্ছি, যাতে তাকে নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য প্রস্তুত করা যায় এবং আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, সে সিরিজে খেলতে পারবে।’
‘শতভাগ ব্যথামুক্ত হওয়া খুবই কঠিন। সাধারণত এই ধরনের ইনজুরি পুরোপুরি সেরে উঠতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। আমরা ইতোমধ্যে তাকে বুঝিয়েছি যে কিছুটা ব্যথা থাকবে এবং তাকে সেটি নিয়েই খেলতে হবে। যদি আমরা পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করি, তাহলে এক বছরের মধ্যে তার পক্ষে ক্রিকেট খেলা সম্ভব হবে না।’
এসএইচ/এমএমএম
