মায়োর্কার বিপক্ষে আগের দুইবারের দেখায় পিছিয়ে পড়েও জিতেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। আজও (শনিবার) তারা শুরুতে গোল হজম করল। শেষ দিকে তারা গোল শোধ দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল মাদ্রিদ ক্লাব। কিন্তু ইনজুরি টাইমের গোলে টেবিলের নিচের দিকে থাকা দলটির কাছে ২-১ ব্যবধানে হার দেখল তারা।
বিজ্ঞাপন
লা লিগার শিরোপার লড়াইয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে গায়ে গা ঘেষে চলতে থাকা রিয়াল বড় ধাক্কা খেল এই পরাজয়ে। রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জিতলে তাদেরকে ৭ পয়েন্ট পেছনে ফেলবে বার্সেলোনা। ৩০ ম্যাচে পঞ্চম হারে রিয়ালের পয়েন্ট ৬৯। এক ম্যাচ কম খেলে বার্সা ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। চলতি মৌসুমের অষ্টম জয়ে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে রেলিগেশন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে ১৭ নম্বরে মায়োর্কা।
ম্যাচে শুধু গোল করা বাদে সবকিছুতেই একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল রিয়ালের। ৬০ শতাংশের বেশি বল দখলে রেখেছিল। লক্ষ্যে শট রেখেছিল ছয়টি, কিন্তু একটিতে সফল হলেও বাকি পাঁচটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেন মায়োর্কা কিপার লিও রোমান। অন্যদিকে লক্ষ্যে দুটি শট রেখে দুটিতেই সফল মায়োর্কা।
বিরতিতে যাওয়ার চার মিনিট আগে মানু মোরলানেস গোলমুখ খোলেন। পাবলো মাফেওর ক্রসে বল পায়ে নেওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ হারাতে বসেছিলেন তিনি। ঠিক সামলে নিয়ে ডান পায়ের শটে আন্দ্রে লুনিনকে পরাস্ত করেন মানু। তার আগে কিলিয়ান এমবাপে ও আর্দা গুলার দুটি করে সুযোগ পেলেও রোমান রুখে দেন। রিয়ালের প্রথম সুযোগ তৈরি করেছিলেন ম্যানুয়েল অ্যাঞ্জেল। মায়োর্কা কিপার তার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপের শট আরেকবার ঠেকিয়ে দেন রোমান।
বিজ্ঞাপন
৫৯ মিনিটে অ্যাঞ্জেলের বদলি মাঠে নামেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিন মিনিট পর তার দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। কিছুক্ষণ পর এমবাপের আরেকটি শট গোলবারের উপর দিয়ে গিয়ে হতাশ করে। ভিনিসিয়ুসের সঙ্গেই বেঞ্চ থেকে মাঠে নামা এদার মিলিতাও ৮০ মিনিটে একটি হেড করেছিলেন, তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারই রিয়ালকে সমতায় ফেরান আট মিনিট পর। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে কর্নার থেকে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের ক্রসে মিলিতাও রিয়ালকে সমতায় ফেরান। কিন্তু ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে ভেদাত মুরিকির গোলে রিয়ালের কপাল পোড়ে। মাতেও জোসেফের বাড়ানো বল বক্সের সেন্টার থেকে জালে জড়ান কসোভার ফরোয়ার্ড।
এফএইচএম/
