এলচেকে গুঁড়িয়ে বার্সেলোনার আরও কাছে রিয়াল

হঠাৎ করে ফেদেরিকো ভালভার্দে দুর্দান্ত ফর্মে। আদর্শ সময়ে নিজের সেরা ফর্ম খুঁজে পেলেন তিনি। উরুগুয়ের আন্তর্জাতিক তারকা তিন ম্যাচে পঞ্চম গোলের দেখা পেলেন। গতকাল (শনিবার) দুটি গোলে তার অবদান। তাতে রিয়াল মাদ্রিদ ৪-১ গোলে এলচেকে উড়িয়ে দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই জয়ে লা লিগায় শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান ১-এ নামিয়ে এনেছে রিয়াল। ২৮ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট তাদের। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে থাকা বার্সা পয়েন্ট ব্যবধান চারে বাড়াতে রাতে সেভিয়ার মুখোমুখি হবে।
ভালভার্দে চলতি মৌসুমে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলেন। ক্লাব ও দেশের হয়ে প্রথম ৩৯ ম্যাচে তার গোল ছিল কেবল দুটি। আর এবার টানা তিন ম্যাচে গোল করলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
গত সপ্তাহে ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানসিটিকে হারায় রিয়াল। ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার একই ধারায় থেকে দলের দারুণ শুরু এনে দেন। প্রথমার্ধের শেষ ছয় মিনিটে জয়ের পথ সুগম করে দেন তিনি।
প্রথমে ভালভার্দের শক্তিশালী ফ্রি কিক এলচে কিপার মাতিয়াস দিতুরো ফিরিয়ে দেন। ব্রাহিম দিয়াজ বুক দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই ফেদেরিকো রেদোন্দো আলগা বল হেড করে বিপদমুক্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বল পেয়ে যান আন্তোনিও রুদিগার। ৩৮তম মিনিটে দারুণ ভলিতে জাল খুঁজে পান জার্মান ডিফেন্ডার।

বিরতির এক মিনিট আগে ভালভার্দের জাদুকরী শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দিয়াজের পাস থেকে মাঝমাঠ থেকে বল টেনে সামনে এগিয়ে লেফট ব্যাক ফ্রান গার্সিয়াকে পাস দেন। তারপর ফিরতি পাস ধরে ছোট ডি বক্সের ভেতরে বাঁ পায়ে শট নেওয়ার ভান করে ডান পায়ের জোরালো শটে জাল কাঁপান তিনি।
বিজ্ঞাপন
এই দুই গোলেই ক্ষান্ত থাকেনি রিয়াল। ৬৬ মিনিটে ড্যানিয়েল ইয়েনেজের ক্রসে ডিন হুইসেনের হেডে স্কোর ৩-০ হয়। গোলমুখের সামনে ৮৫ মিনিটে গ্রাডি ডিয়াঙ্গানার একটি পাস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজের জালে জড়িয়ে দেন মানুয়েল আনহেল। দ্বিতীয়ার্ধে দিয়াজের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে রিয়ালের সিনিয়র দলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামেন এই স্প্যানিশ তরুণ।
এর চার মিনিট আর্দা গুলারের দর্শনীয় গোলে বড় জয় নিশ্চিত হয় মাদ্রিদ ক্লাবের। ৮৯তম মিনিটে রিয়ালের অর্ধের ১০ গজ দূর থেকে থেকে দূরপাল্লার এক শট নেন তিনি। এলচের অর্ধে কেবল গোলকিপার ছিলেন। তিনিও একটু সামনে এগিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন গুলার। অবিশ্বাস্য এক গোল করেন তিনি গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে বল তুলে দিয়ে।
যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে গোলপোস্টের কাছ থেকে নেওয়া আন্দ্রে সিলভার হেড রুখে দিয়ে ব্যবধান কমতে দেননি রিয়াল কিপার থিবো কোর্তোয়া।
এফএইচএম/