১৩ হাজার প্রতিষ্ঠান প্রধান পদের বিপরীতে ৭৮ হাজার আবেদন

বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য থাকা প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রধান পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭৮ হাজারেরও বেশি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল প্রারম্ভিক লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সংস্থার এক বোর্ড সভায় পরীক্ষার এই সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বোর্ড সভায় প্রাথমিকভাবে পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং কেন্দ্র বরাদ্দসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়াগুলো ঠিকঠাক থাকলে ১৭ ও ১৮ এপ্রিলই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অনেক প্রার্থী একাধিক পদে আবেদন করায় সমন্বয়ের সুবিধার্থে পরীক্ষা দুই দিনব্যাপী নেওয়া হবে।
পরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, এবার ১৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭৮ হাজার ৭১১টি। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৩ হাজার ৯২৩টি শূন্য পদের বিপরীতে লড়াই করবেন ১৯ হাজার ৮৩৮ জন। অন্যদিকে, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৩ হাজার ৮৭২টি পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার ৮২৬টি আবেদন জমা পড়েছে।
আর মাদ্রাসা পর্যায়ে দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট পদে ৮৯৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২ হাজার ৬৪৫ জন এবং সহকারী সুপারিন্টেনডেন্ট পদে ১ হাজার ৪টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ২ হাজার ৯৮৭টি।
এছাড়া ফাজিল, কামিল ও আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদের বিপরীতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন।
কলেজ পর্যায়ে ডিগ্রি (পাস) কলেজের ৫৮৪টি অধ্যক্ষ পদের বিপরীতে ৫৫০ জন এবং উচ্চমাধ্যমিক কলেজের ৫১১টি পদের বিপরীতে ৫ হাজার ৬৩০ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। কারিগরি পর্যায়ে এইচএসসি (বিএম) এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) প্রতিষ্ঠানেও কয়েক হাজার প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার আবেদন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে। এরপরই চূড়ান্ত যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা ও প্রবেশপত্র সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করবে নিয়োগ সংস্থা এনটিআরসিএ।
আরএইচটি/এসএম