শিক্ষকতার বাইরে ৩৭ ধরনের কাজে প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। এখানে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।
প্রথম আলো
সংখ্যালঘু প্রার্থীদের ৭৭% উচ্চশিক্ষিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৭ শতাংশ প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত। তাঁদের কেউ স্নাতক, কেউবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। পিএইচডি করেছেন এমন প্রার্থীও রয়েছেন।
পেশার দিক থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের মধ্যে ৩৪ শতাংশই ব্যবসায়ী। এরপর ১৬ শতাংশ প্রার্থী আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সমকাল
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ, ভিড়ছে না জাহাজ
শ্রমিক-কর্মচারীর ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর এখন অচল। প্রতিদিন পাঁচ হাজার পণ্যভর্তি কনটেইনার খালাস হয় যে বন্দরে; গত দুই দিনে বের হয়নি একটি কনটেইনারও। জাহাজ থেকে প্রতিদিন গড়ে আট হাজার কনটেইনার ওঠানামা করা জেটিও স্থবির। প্রধান তিন টার্মিনালে গত দুই দিন নোঙর করেনি নতুন জাহাজ। বন্দরের ১২টি গেট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে আট হাজার গাড়ি জেটিতে প্রবেশ করত; এখন সেখানেও সুনসান।
দেশ রূপান্তর
চুক্তির প্যাঁচে অচল চট্টগ্রাম বন্দর
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে দরকষাকষিতে আটকে গেছে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা চুক্তি। শ্রমিক-কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনসহ চারটি পয়েন্ট নিয়ে চলছে এ দরকষাকষি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অথরিটি ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে অচল হয়ে আছে দেশের আমদানি-রপ্তানির গেটওয়ে চট্টগ্রাম বন্দর। অন্যদিকে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে নৌ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আসছেন এবং বন্দর ভবনে জরুরি সভা ডেকেছেন। ধারণা করা যাচ্ছে, সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেই সভা থেকে এনসিটি নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থার সুরাহা হতে পারে।
আজকের পত্রিকা
নারী প্রার্থীর লড়াই পদে পদে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার তালিকার প্রায় অর্ধেকই নারী। অথচ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের মধ্যে নারী মাত্র ৪ শতাংশ। আবার নানা বাধা ঠেলে যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের লড়াই শুধু দলীয় প্রতীক বা আদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নানা রকম বৈষম্য, পীড়ন, নিরাপত্তাহীনতা এবং সর্বোপরি প্রথাগত পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হচ্ছে তাঁদের।
বিবিসি বাংলা
মির্জা আব্বাস, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মেঘনা আলম- 'ভাইরাল' ঢাকা ৮ আসনে কী চলছে?
অনলাইন গেম 'পাটাব্বাস' খেলছিলেন একজন, আর তার ওপর ঝুঁকে বেশ আগ্রহ নিয়ে খেলাটি দেখছিলেন আরো দুইজন। ঢাকার শান্তিনগর মোড়ের পাশে একটি গলিতে দেখা যায় এই দৃশ্য।
"বের হওয়ার পর থেকেই গেমটা খেলতেছি। খুব মজা পাইতেছি," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মোহাম্মদ কামরুল।
সমকাল
নির্বাচনের আগেই চুক্তি করতে প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে
সংসদ নির্বাচনের আগেই বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) নিয়ে চুক্তি করতে সব প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় জিটুজি ভিত্তিতে এই চুক্তি হলেও প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না সরকার। তবে এ বিষয়ক একটি রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ।
বণিক বার্তা
নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে জাল সিল-ভোট নিয়ে নতুন শঙ্কা
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আছে মাত্র এক সপ্তাহ। এমন সময় ভোটের অবৈধ সিল জব্দ, জাল ভোটের শঙ্কা ও নির্বাচনী নিরাপত্তা সরঞ্জাম চুরির মতো ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে। বিভিন্ন দল ও প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এসব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন বলছে, সব ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে তাদের কঠোর নজরদারি রয়েছে।
সমকাল
শিক্ষকতার বাইরে ৩৭ ধরনের কাজে প্রাথমিক শিক্ষকরা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষককে পাঠদানের বাইরে অন্তত ৩৭ ধরনের অপেশাদার বা নন-প্রফেশনাল কাজে যুক্ত থাকতে হচ্ছে। এসব অতিরিক্ত দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে প্রতিবছর সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি। এর সরাসরি সুফল পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। বাড়তি চাপের কারণে শিক্ষকদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষার গুণগত মান এবং শিক্ষার্থীদের শিখন ফল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বণিক বার্তা
বিপ্লবী বাগ্মিতায় রাষ্ট্র সংস্কারের দেজা ভ্যু
গণ-আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতন বা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে দক্ষ শাসন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই উঠে আসতে দেখা গেছে। বহু দেশের প্রবণতায় দেখা যায়, এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র সংস্কারের নেতৃত্বে আসেন পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত রাজনীতিক ও পেশাজীবীরা। যাদের বড় অংশই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করা কিংবা বিদেশ-সংযুক্ত নেটওয়ার্কে গড়ে ওঠা। তারা পুরনো ক্ষমতাকাঠামো ভাঙার কথা বলেন, সংস্কার কমিশন গঠিত হয়, সংলাপ হয়, প্রতিবেদন ও খসড়া তৈরি হয় কিন্তু কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে না। কয়েক বছরের মধ্যেই রাষ্ট্র কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার নজিরও অনেক। এ পুনরাবৃত্তিই রাষ্ট্র সংস্কারে ‘দেজা ভ্যু’ তৈরি করে। এখানে ‘দেজা ভ্যু’ মানে শুধু পরিচিত পরিস্থিতির অনুভূতি নয়; বরং রাষ্ট্র সংস্কারে ব্যর্থতার চক্র। যেখানে প্রতিশ্রুতি ও বিপ্লবী বাগ্মিতা সামনে থাকে কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী ‘নতুন রাষ্ট্র’ নতুন পথে হাঁটে না; পুরনো ব্যবস্থার ভেতরেই নতুন মুখ বসে যায়। এমনকি কখনো কখনো রাষ্ট্রকে আরো অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়।
সমকাল
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত ১৭ মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৯৫ জন নিহত হয়েছেন। এই সময়ে আহত হয়েছেন ১১ হাজার ২২৯ জন। এ ছাড়া মব সহিংসতা বা গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ২৫৯ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ মাসে দেশে এক হাজার ৪১১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক ও দলীয় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধ, কমিটি নিয়ে বিরোধ ও চাঁদাবাজির কারণে এসব ঘটনা ঘটে। নিহত ১৯৫ জনের মধ্যে বিএনপির ১৩৪ জন এবং আওয়ামী লীগের ২৬ জন রয়েছেন।
কালের কণ্ঠ
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ও নির্বিচারে আটক চলছেই
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নির্বিচারে আটক করার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও তা অব্যাহত আছে। নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) ২০২৬ সালের বৈশ্বিক মানবাধিকার প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অধ্যায়ে এ কথা বলা হয়েছে। গতকাল বুধবার এইচআরডব্লিউর ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার এশিয়া অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাঙ্ককে এইচআরডব্লিউর সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।
আজকের পত্রিকা
আ.লীগের ৪৮ শতাংশ ভোট যাবে বিএনপির দিকে, জামায়াত পাবে ২৯ শতাংশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে প্রকাশিত এক জনমত জরিপের ফলে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার এবার ভোট দিতে আগ্রহী। ৮ শতাংশ ভোটার এখনো নিশ্চিত নন। আর আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়া ভোটারদের প্রায় অর্ধেক (৪৮ দশমিক ২ শতাংশ) এবার বিএনপিকে ভোট দিতে ইচ্ছুক।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, আগে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়া ভোটারদের মধ্যে ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া ১৩ শতাংশ অন্যান্য দলকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন এবং ২ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন অবস্থায় রয়েছেন।
দেশ রূপান্তর
জোটের ভোট চাপের ভোট
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘুরেফিরে প্রধান দুই দলের নেতৃত্বাধীন জোটের দিকেই আবর্তিত হচ্ছে জনসমর্থন। জোটের ভোটে এ নিয়ে বেশ চাপেও আছে তারা। দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙে মাঠে নামা বিদ্রোহী প্রার্থীরা ঘাম ঝরাচ্ছেন বিএনপির। রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে থাকা শরিক দলগুলোকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫টি আসনে ছাড় দিয়েছে বিএনপি।
প্রথম আলো
বাজারে নকল ও মানহীন কনডম, জনস্বাস্থ্য হুমকিতে
রাজধানীর তেজতুরী বাজারের একটি ওষুধের দোকান। বস্তিসংলগ্ন এ জায়গায় সন্ধ্যার দিকে ক্রেতাদের ভিড়ে এক তরুণ লাজুক ভঙ্গিতে দোকানির দিকে ঝুঁকে কনডম চান। দোকানি কোনো প্রশ্ন না করেই কাউন্টারের নিচ থেকে একটি প্যাকেট বের করে দেন। মোড়কে লেখা একটি অপরিচিত ব্র্যান্ডের নাম, কিন্তু ভেতরের কনডমে ছাপা রয়েছে ভিন্ন নাম। প্যাকেটে তিনটি কনডম আছে, দাম ১০ টাকা। তরুণটি না জেনেই কিনে নেন। তিনি জানেন না, এ কনডমই হয়তো তাঁর ভবিষ্যতের বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কালবেলা
স্বতন্ত্রের চাপে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের বাকি আর মাত্র সপ্তাহখানেক। কিন্তু শেষ সময়ে এসেও ধানের শীষ প্রতীক না পেয়ে সারা দেশে ৬৫টির মতো আসনে বিএনপির ‘অভিমানী’ নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৫-৪০টি আসনে ভোটের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন দলটির এই স্বতন্ত্র প্রর্থীরা। এর মধ্যে আবার ২০টির মতো আসনে ধানের শীষ প্রতীকের কিংবা বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থীদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপি নেতারা।
প্রথম আলো
ঘটনাবহুল সময়, সংশয়, পরে ভোট
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর সম্ভবত নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ‘নির্বাচন কি হবে?’ সাংবাদিকতা করার সুবাদে যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে অন্যদের তুলনায় এই প্রশ্ন বেশি শুনতে হয়। প্রশ্নটা যতবার শুনি, ততবার আমি ১৮ বছর আগে ২০০৭ সালে ফিরে যাই। আমি তখন দৈনিক জনকণ্ঠতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিটে কাজ করি। অ্যাসাইনমেন্ট, পারিবারিক পরিসর থেকে পাড়ার দোকান—যেখানে যাই লোকজনের জিজ্ঞাসা থাকত ‘নির্বাচন কি হবে?’ ২০০৮ সালের সেই নির্বাচনের আগের প্রায় দুই বছর জুড়ে ছিল বড় ধরনের প্রস্ততি। একই সঙ্গে ছিল গভীর সংশয়ও।
