এক বছরে ধর্ষণ বেড়েছে ২৭%

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। এখানে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।
প্রথম আলো
এক বছরে ধর্ষণ বেড়েছে ২৭%
মানুষের কষ্ট-দুর্ভোগ বুঝতে চাইলে আদালত আর হাসপাতালে আসুন—কথাটা মুখে মুখে বেশ চালু। তবে এটা চরম সত্যও। ১ মার্চ ঢাকার চারটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ঘোরার সময় অচেনা মুখগুলোতে বিষাদ ও উৎকণ্ঠার ছাপগুলো খুব স্পষ্টই অনুভব করা যাচ্ছিল।
কক্ষের ভেতরে স্থান সংকুলান হয় না, তাই বাইরে বারান্দায় পেতে রাখা বেঞ্চে বসে ছিলেন ভুক্তভোগী নারী ও তাঁদের স্বজনেরা। মামলার নম্বর আর নাম ধরে ডাক পড়তেই নারীরা উৎকণ্ঠা নিয়ে বিচারকের সামনে দাঁড়াচ্ছিলেন। একটি ট্রাইব্যুনালে মাইক্রোফোন ব্যবহারের কারণে ভুক্তভোগী নারীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার বর্ণনা শোনা যাচ্ছিল স্পষ্ট।
আজকের পত্রিকা
প্রবাসেও নির্যাতিত নারীরা
প্রবাসী আয়ে অবদান রাখছেন নারীরাও। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ নারীকর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মরত। তাঁদের অর্ধেকই আছেন সৌদি আরবে। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে বিদেশে যাওয়া এই নারীদের অনেকে প্রতারণা, মানব পাচারসহ শারীরিক-মানসিক-যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলছেন কেউ কেউ।
বিবিসি বাংলা
তেহরানে তেলের ডিপোতে বিস্ফোরণ, বৈরুতে কুদস ফোর্সের ওপর হামলার দাবি ইসরায়েলের
ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ তেহরানে তেলের মজুত রাখার কয়েকটি কমপ্লেক্সে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। হামলার পর তেহরানে আকাশে ব্যাপক কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।
আইডিএফ বলেছে, এটি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোর ওপর চালানো একটি 'উল্লেখযোগ্য হামলা'।
যুগান্তর
এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তেলের মজুত সর্বনিম্ন
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি এবং তিন তেল বিতরণ কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার অদক্ষতা ও অদূরদর্শিতার কারণে বাংলাদেশ অনেকটা বিপাকে পড়েছে। সময়মতো জ্বালানি তেল মজুতের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও মজুত না করায় সারা দেশে তেল নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে সর্বনিম্ন ৬০ দিনের তেলের ধারণ ক্ষমতা বা মজুত রাখার সক্ষমতা তৈরি করার সিদ্ধান্ত হলেও এখন আছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মতো। সেই ৩৫ দিনের মধ্যে ডিজেল আছে ১০-১১ দিনের মতো।
বণিক বার্তা
পাকিস্তানে ৭০ শতাংশ পেট্রল পাম্প বন্ধের শঙ্কা কালকের মধ্যে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পাকিস্তানেও। সম্ভাব্য জ্বালানি তেল সংকটের আশঙ্কায় করাচির বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে এবং কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধও রাখা হয়েছে।
বিবিসি বাংলা
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানি শাসকদের বিরোধী কুর্দি যে গোষ্ঠীগুলো ইরাকের উত্তরাঞ্চলে বসবাস করছে, তাদের দায়িত্বশীলরা বিবিসিকে বলেছেন যে সীমান্ত পার হয়ে ইরানে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের, কিন্তু এখনো সেটার বাস্তবায়ন ঘটানো হয়নি।
ইরানের প্রবেশের এই পরিকল্পনা নতুন নয়, বরং দশকের পর দশক ধরে এর প্রস্তুতি চলছে, তারা জানান। তবে তাদের যোদ্ধারা ইতোমধ্যে ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে- এমন দাবি তারা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।
বণিক বার্তা
বিশ্বের প্রথম র্যাপার প্রধানমন্ত্রী হবেন বালেন্দ্র শাহ
সাবেক র্যাপার ও কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র এবং রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) প্রার্থী বালেন্দ্র শাহ ঝাপা-৫ আসনে পরাজিত করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে। ভোটের ব্যবধান প্রায় অর্ধলাখ।
প্রথম আলো
জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্কের কেনাকাটা কতটা যৌক্তিক
দেশে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) অকটেন বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার টন। সে হিসাবে দিনে অকটেনের চাহিদা গড়ে ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন। যদিও ‘আতঙ্কের কেনাকাটা’ বা প্যানিক বায়িংয়ের কারণে দৈনিক চাহিদা ২ হাজার টন ছাড়িয়ে গেছে (১ থেকে ৪ মার্চের হিসাব)।
আজকের পত্রিকা
ভারতীয় হাইকমিশনের ইফতার মাহফিলে জামায়াত নেতারা
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
দেশ রূপান্তর
দুবাই থেকে পুঁজি সরানোর পথ খুঁজছেন এশিয়ার ধনীরা
ইরান-ইসরায়েল ও মার্কিন যুদ্ধের আতঙ্গের মধ্যে দুবাই থেকে সম্পদ সরাতে বিকল্প খুঁজছেন এশিয়ার ধনী ব্যক্তি ও উদ্যোক্তারা। যুদ্ধের কারণে এ অঞ্চলের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই তাদের সম্পদের বিপরীত বা নিরাপদ স্থানান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরই দুবাইয়ে বসবাসকারী ভারতীয় দুই উদ্যোক্তা তাদের সম্পদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তারা স্থানীয় ব্যাংক হিসাব থেকে কিছু অর্থ সিঙ্গাপুরে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তবে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে শুরুতে তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। পরে তাদের একজন অন্য মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করতে সক্ষম হন।
কালের কণ্ঠ
হামলার শঙ্কায় নির্ঘুম রাত
ক্ষেপণাস্ত্রের বুক হিম করা বিকট শব্দে এখন মধ্যপ্রাচ্যবাসীর প্রতি মুহূর্ত কাটছে নাম না জানা শঙ্কায়। দিগন্ত কাঁপিয়ে আকাশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নানা প্রজন্মের জঙ্গিবিমান। অনেকটা নিঃশব্দে লক্ষ্যপানে ছুটে চলছে হরেক মডেলের প্রাণঘাতী ড্রোন। বুলেটের প্রাণহীন সিসা কখন কার প্রাণ কাড়ে, সেটাও কেউ জানে না।
দেশ রূপান্তর
সংকটেও বাড়ছে গাড়ি আমদানি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বে তেল সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। আর এর প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলায় ইতিমধ্যে রেশনিং করে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাইভেট কার দিনে ১০ লিটারের বেশি এবং মাইক্রোবাস ২০ থেকে ২৫ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল পাবে না। এদিকে তেলের সংকট দেখা দিলেও চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বেড়েছে আমদানি করা গাড়ির সংখ্যা। গত মাসে ৩টি রো রো জাহাজে ১ হাজার ১৫৩টি গাড়ি এলেও জানুয়ারি মাসে এসেছিল ৫১৮টি গাড়ি।
সমকাল
প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে
শিগগিরই পরিবর্তন আসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থায়। জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং স্বচ্ছ করতে ইতোমধ্যে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রসিকিউশন বিভাগ ও তদন্ত সংস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো।
কালের কণ্ঠ
এক লাখ ৯১ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি
উচ্চ খেলাপি ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত এখন প্রভিশনের ভারে ন্যুব্জ। মন্দ ঋণের বিপরীতে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) রাখতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর সম্ভাব্য মুনাফা উবে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রায় চার লাখ ৪১ হাজার ৯১ কোটি টাকা আয় মুনাফার খাতায় ওঠার কথা থাকলেও এর বড় অংশই প্রভিশন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়েছে। ফলে প্রকৃত লাভের মুখ দেখেনি বেশিরভাগ ব্যাংক।
কালবেলা
ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মানী ও ব্যয় বণ্টনে নয়ছয়ের অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ও দলগুলোর আচরণবিধি প্রতিপালন তদারকির দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সম্মানী এবং ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ অর্থ বণ্টনে নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় থেকে ১ হাজার ৪৪ জন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যেকের অনুকূলে ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে অধিকাংশ কর্মকর্তাই সেই অর্থের পুরোটা পাননি। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য কিছু টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে পুরো অঙ্কের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বেশকিছু জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এমন অনিয়মে ক্ষুব্ধ মাঠ প্রশাসনে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা, যা এখন তাদের ব্যাচভিত্তিক অভ্যন্তরীণ গ্রুপগুলোতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। যদিও জেলা প্রশাসকরা বলছেন, বরাদ্দ অনুযায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।