করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ (সোমবার)। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, টিকা নিতে হলে এসএমএস (ক্ষুদে বার্তা) পেয়েই সবাইকেই কেন্দ্রে আসতে। তবে আগে যারা এসএমএস পেয়েও কোনো কারণে টিকা নিতে পারেননি, তাদের এখন এসএমএস দেওয়া হবে না। তারা যেকোনো সময় এসে টিকা নিতে পারবেন।

রোববার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করার পর ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে সারাদেশে ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ, ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ১৫ লাখ ২১ হাজার ৯৪৭ জন গ্রহীতা এখনও দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন। গত ২৪ জুলাই আমরা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেয়েছি। ওই টিকা ইতোমধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যান্য জেলা, উপজেলা ও ঢাকা শহরের সব কেন্দ্রে শিগগিরই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহ করা হবে।

কেন্দ্রে টিকা পৌঁছা মাত্র সংশ্লিষ্টদের করণীয়-

১। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণের জন্য অপেক্ষমাণ গ্রহীতাদের দ্বিতীয় ডোজের জন্য এসএমএস দিতে হবে।

২। প্রথম ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণ করেছেন এবং দ্বিতীয় ডোজের এসএমএস পেয়েছেন। কিন্তু টিকা গ্রহণ করেননি, তাদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে হবে।

৩। টিকাদান কেন্দ্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করে চিহ্নিত করতে হবে। (ব্যানার ব্যবহার করা যেতে পারে)।

৪। টিকাদান কেন্দ্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেন ভুলক্রমে অন্য কোনো টিকা (সিনোফার্ম, মডার্না, ফাইজার) দেওয়া না হয়।

৫। টিকা দেওয়ার পর রিপোর্ট হালনাগাদ করতে হবে। এছাড়া টিকা লজিস্টিকের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

টিআই/এসএসএইচ