মাশরাফি বিন মুর্তজা/ফাইল ছবি

প্রায় পাঁচ বছর পর বাংলাদেশ সফরে এসেছে পাকিস্তান। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাদের সমর্থনে বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানীরা শুক্রবার দুপুরে ছুটে গিয়েছিলেন মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। 

তবে তাদের পাশাপাশি গতকাল কিছু বাংলাদেশিকেও দেখা গেছে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে, পতাকা হাতে। বাংলাদেশের হারে উল্লাসও দেখা গেছে তাদের। এমন দৃশ্য বাংলাদেশি যে কারো মনেই কষ্ট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সে দৃশ্য ছুঁয়ে গেল বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকেও। সেটা ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে স্ট্যাটাস দিয়েও জানালেন তিনি।

বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম জানিয়েছিলেন, এ দেশে বাংলাদেশের সমর্থনের পাশাপাশি ভক্ত আছে তাদেরও। শুক্রবার দুপুরে যেন প্রমাণ মিলল তারই। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই দেখা গেল পাকিস্তানের জার্সি পরে, পতাকা হাতে নিয়ে অনেক বাংলাদেশি পা রেখেছেন মিরপুরের ‘হোম অফ ক্রিকেটে’। বাংলাদেশের উইকেট পতন বা পাকিস্তানের ছক্কা-চারে উল্লাসও করতে দেখা গেছে তাদের 

সেটাই মনে আঁচড় কেটে গেছে মাশরাফির। শুক্রবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে সেটাই জানালেন নড়াইল এক্সপ্রেস। বললেন, ‘দেশে আর খেলছে আমাদের দেশ, সেখানে অন্য যে দেশই খেলুক না কেন, তাদের পতাকা তাদের দেশের মানুষ ছাড়া আমাদের দেশের মানুষ উড়াবে, এটা দেখে সত্যি কষ্ট লাগে। যে যাই বলুক, ভাই দেশটা কিন্তু আপনার।’ 

সে স্ট্যাটাসে তিনি আরও যোগ করেন, দেশের ক্রিকেটের দুঃসময় কাটিয়ে ওঠার বড় পাথেয় সমর্থকদের সমর্থন। মাশরাফির ভাষ্য, ‘আজ হয়নি তো কাল হবে, না হলে পরশু হবে। আপনারা পাশে না থাকলে আর হবেই না। হারি বা জিতি স্টেডিয়ামে আমাদের দেশের পতাকা উড়ুক চিৎকার হোক বাংলাদেশ।’

এর আগে বাংলাদেশে পা রেখে পাকিস্তান দল মিরপুরের বিসিবি একাডেমি মাঠে অনুশীলনের সময় মাঠে পতাকা ওড়ায়। তাতে তৈরি হয় ক্ষোভ। শেষমেশ বিসিবি থেকে অনুমতিও চাইতে হয়েছে দলটিকে। 

এরপর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেয় পাকিস্তান দল। সেখানে জানানো হয় এ কেতার প্রচলন হয়েছে পাকিস্তানের প্রধান কোচ হয়ে সাকলাইন মুশতাক আসার পর। যেটা তারা ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পালন করেছে, এরপর বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতেও পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করতে দেখা গেছে বাবর আজমদের।

এনইউ