‘একীভূত সমাজ ব্যবস্থা, অংশগ্রহণে বাড়ায় আস্থা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগ, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল ও আমদা বাংলাদেশ যৌথভাবে দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করে।

সোমবার (২১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ উপলক্ষে মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের চেয়ারপার্সন তাওহিদা জাহানের সভাপতিত্বে এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটি প্রটেকশন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রব্বানী, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ এবং ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু কিশোরদের কর্মমুখী ও দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সরলতা, সততা ও আন্তরিকতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করতে হবে।

ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের বিশেষ চাহিদা পূরণ এবং তাদের পরিবারকে শক্তি সাহস জোগাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য ঢাবি উপাচার্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ডাউন সিনড্রোম সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিবছর ২১ মার্চ বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস পালিত হয়।

এইচআর/এমএইচএস